Tech

ব্লগিং এর জন্য ভালো নিশ বাছাই করবেন কিভাবে?

নিশ সিলেকশন- আপনারা হয়তো জানেন না। যেকোনো উদ্যোগের জন্য একটি ভালো মানের নিশ সিলেকশন করতে হয়। আর সেই নিশের উপরে আপনার সফলতা লুকিয়ে আছে। আপনি কি নিয়ে ব্লগিং করবেন না করবেন। সেটা আপনার ব্যক্তিগত ব্যপার। তাই অবশ্যই নিশ বাছাই করণ একটি ওয়েবসাইট তৈরিতে অনেক বেশি কার্যকরী। তা না হলে আপনি যদি যেকোনো একটি নিশ না নিয়ে কাজ শুরু করে দেন। এতে করে আপনার ভবিষ্যৎ এ সাইট র‍্যাংকিং এ আনতে কয়েক বছর লেগে যেতে পারে।

শুরুতেই অনেকে বিরক্ত হয়ে কাজ ছেড়ে দেয়। সবার জন্য একটাই কথা আপনারা যেকোনো কাজের ক্ষেত্রে ভালো মানের একটি নিশ যাচাই বাছাই করে নিবেন। আপনার সাইটে আপনি কি নিয়ে কাজ করবেন। সেই নাম দিয়ে একটি ডোমেইন কিনে ওয়েবসাইট খুলা মানেই, আপনার ভিজিটর দের জন্য সুবিধাজনক।

 

 

বেস্ট নিশ বাছাই!

আর অনেক সময় আমরা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে ব্লগিং শুরু করতে চাই। কিন্তু নতুন অবস্থাতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আমাদের কনফিউজড হতে হয়। যে কিভাবে একটি ব্লগ সাইট শুরু করবেন। যেখানে ট্রাফিক আসবে। আবার কিছু কিছু নিশ এর ডিমান্ড কিছু সময়ের জন্য থাকে। অপরদিকে আরো কিছু নিশ আছে যেগুলোর ডিমান্ড সারাজীবন থাকবে। আজকে সেই কয়েকটি নিশ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। যেগুলোর ডিমান্ড অনেক বেশ এবং লাইফটাইম এর জন্য।

অনেকে নিশ মানেই বুঝে না। নিশ মানে হচ্ছে বিষয়। আপনি কোন কোন টপিক এ অ্যাফিলিয়েট করতে বা ব্লগিং করতে চাচ্ছেন। সেই টাকে নিশ বলা হয়। কোন কোন উপায়ে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করা যায়। প্রথমতো হলো ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করে। দ্বিতীয়ত ওয়েবসাইট এ আর্টিকেল লেখার মাধ্যমে। এই বর্তমানে এই ২ টি উপায় খুবই জনপ্রিয়। তবে আপনার যদি ভিডিও কন্টেন্ট নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা থাকে। তাহলে আপনি ইউটিউব প্লাটফর্ম কে বাছাই করে নিতে পারেন। যদি তা না পারেন। তাহলে অবশ্যই ওয়েবসাইট আপনার জন্য বেস্ট চয়েস।

তো চালুন কিছু নিশ আপনাদের কে আইডিয়া দেই। যেকোনো নিয়ে আপনার ব্লগিং ক্যারিয়ার শুরু করে নিতে পারেন।

 

১/ রেসিপিস-

আপনার যদি রান্নাবান্না বা খাবার তৈরি করতে ভালো লাগে। তাহলে এই টপিক নিয়ে কাজ করতে পারেন। যেমন আপনি যেই রান্না টা ভালো পারেন। সেটি অন্যরা যখন ভালো পারবে না। তখন তারা গুগলের সার্চ করবে। আর সেই সময় আপনার লেখা আর্টিকেল তাদের সামনে পরে গেলে। তারা আপনার সাইটে প্রবেশ করবেন। এবং সেখানে দেখানো আপনি সেই রান্না টা কিভাবে রেধেছেন বা তৈরি করেছেন। কি কি প্রসেস ব্যবহার করেছেন। কেমন ইকুইপমেন্ট লেগেছে। সব কিছু আপনি যখন লিখে রাখবেন। এতে করে তারা খুব সহজেই পড়ে শিখে নিতে পারবেন। এতে করে তাদের ভালো লাগলে আপনাকে নিয়মিত ফলো করতে থাকবে। এভাবেই ধিরে ধিরে ভিজিটএ বাড়বেন। এছাড়াও মজার মজার খাবার গুলো কোথায় পাওয়া যায় এটা নিয়ে খুন সহজেই বিস্তারিত আলোচনা করতে পারেন।

 

২/ প্রডাক্ট রিভিউ-

মানুষ প্রতিনিয়ত অনেক ধরনের পণ্য ব্যবহার করে থাকেন। যেগুলো হয়তো আপনার আর আমার নাম ও জানা নেই। তবে সেই সকল পণ্য গুলো কিছু সারাজীবনের জন্য তারা ব্যবহার করতে পারে না। আবার অনেকে একটা পণ্য না বুঝেই কিনে ফেলে৷ কিছু দিন পরে সেটা নষ্ট হয়ে যায়। এভাবে তারা গুগলে সার্চ করে জানতে আগ্রহী হয়। যে সেই পণ্য গুলোর মধ্যে কোন টা সবচেয়ে বেশি টেকসই বা মজিবুত এবং ভালো মানের। আর তখন তারা রিভিউ পড়ে সঠিক তথ্য জানতে পারেন। এতে করে আপনার ও তার ২ জনেরই লাভ হচ্ছে। আবার যখনই কোনো নতুন পণ্য বাজারে আসে। ঠিক তখন মার্কেটে আগেই না গিয়ে ইন্টারনেট এ এসে খুজ নিয়ে দেখে আসলেই পণ্যটি কেমন হতে পারে। আর এভাবেই আপনি সেই সমন্ধে লেখালিখি করে তাদের সাহায্য করতে পারেন। এটাও খুব ভালো একটি নিশ। চাইলে আপনি আলিবাবা ও অ্যামাজন এর সাথে অ্যাফিলিয়েট করতে পারেন।

আজ এই পর্যন্তই ছিলো। কথা হবে পরবর্তী কোনো মজার ও হেল্পফুল টপিক নিয়ে। ততপর্যন্ত ভালো থাকুন। ধন্যবাদ!

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button